Thursday, August 14, 2014

কিভাবে ল্যাপটপ এর যত্ন নিবেন? কিভাবে ল্যাপটপ এ চার্জ ধরে রাখবেন??


ল্যাপটপ ভালো রাখার অন্যতম কিছু টিপস

আমি নতুন ল্যাপটপ নিলাম কিছুদিন আগে তো এইবার ল্যাপটপ কিভাবে ভাল রাখা যায় তা নিয়ে গুগল করলাম আর যা কিছু পেলাম আপনাদের জন্য একসাথে দিয়ে দিলাম। ল্যাপটপ প্রেমিকরাই বেশি ল্যাপটপ ব্যবহার করেন। হতে পারে সেটা শখের কিংবা কাজের বা অন্য কোন প্রকারের। অনেকেই বলেন এমন যে, নতুন ল্যাপটপ কিনলাম কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতেই আমার শখের ল্যাপটপ বা কাজের জিনিসটা সার্ভিসিং ঘরে চলে গেল। আসলে এটা আপনারই ভুল। ল্যাপটপ কখনোই রাফভাবে ব্যবহার করবেন না। কারন এটি কখনোই রাফ ইউজের জন্য নয়। আর আপনার কিছু ছোট খাট ভুলের জন্যই আপনার জিনিসটার অবস্থার অবনতি হয়। তাই কিছু টিপস দিলাম যা আপনি লক্ষ্য করে সেভাবে কাজ করলে আশা করি, আপনার ল্যাপটপকে দীর্ঘদিন যাবত অনায়াশে ভাল থাকতে সক্ষম।





অনেক সময় এমন ও হতে পারে যে উপরোক্ত কাজগুলো অনুসরন করেও আপনার কোন কাজে আসলো না। সে ক্ষেত্রে সেটা আপনার ল্যাপটপ এর যন্ত্রাংশ বড় কোন সমস্যা থাকতে পারে। আমি শুধু প্রাথমিক ধারনার টিপস্ গুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করলাম, যা আপনার প্রিয় জিনিসটার কিছু হলেও কাজে আসবে। তো আসুন দেখে নেওয়া যাক ট্রিক্সগুলি কি?




যতনে রাখি যন্ত্র:



ঝামেলা ছাড়াই দীর্ঘদিন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করার জন্য নিয়মিত যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। ল্যাপটপে কোনো ত্রুটি ধরা পড়ার পর সেটি মেরামত করতে হবে।তবে আগে থেকে সতর্ক থাকলে অনেক ক্ষেত্রেই এসব সমস্যা এড়িয়ে চলা সম্ভব।




অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা:



কম্পিউটারে অবশ্যই একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা উচিত। হয়তো কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় আপনার জানা আছে, আপনি কী ফাইল নামিয়েছেন, কোন ওয়েবসাইটে গেছেন বা পেনড্রাইভের মাধ্যমে কী ধরনের ফাইল স্থানান্তর করছেন। কিন্তু বর্তমান সময়ের ভাইরাসগুলো এমনভাবে তৈরি করা হয়, যেন সেগুলো ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটারের ক্ষতি করতে পারে। এই ভাইরাসগুলো কম্পিউটারের সফটওয়্যারগুলো অকার্যকর করে দেওয়া, তথ্য মুছে ফেলাসহ ল্যাপটপটিই ব্যবহারের অনুপযোগী করে তুলতে পারে।




বাতাসের চলাচল:



ল্যাপটপ সব সময়ই এমন জায়গায় ব্যবহার করা উচিত, যেখানে বাতাস চলাচলের সুব্যবস্থা রয়েছে। এর ফলে ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে এর মানে এই নয় যে, সব সময় শীতাতপনিয়ন্ত্রিত স্থান থেকে এটি ব্যবহার করতে হবে।




তরল পদার্থ থাক দূরে:



চা, কফি, পানিসহ সব ধরনের পানীয় ল্যাপটপ থেকে দূরে সরিয়ে রাখুন। ল্যাপটপে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইলেকট্রনিকস যন্ত্রাংশ থাকে। তরল পদার্থের সংস্পর্শে এগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আবার শর্টসার্কিটের ফলে পুরো ল্যাপটপটিই অচল হয়ে যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে সহজ সমাধান হলো, সব ধরনের তরল পদার্থই দূরে সরিয়ে রাখা।



খাওয়া নয়:



ল্যাপটপ সঙ্গে নিয়ে খাওয়া উচিত নয়। অসাবধানতাবশত খাবারের কোনো অংশ ল্যাপটপে পড়ে ময়লা হয়ে যেতে পারে। এ ছাড়া খাবারের ক্ষুদ্র কণা ল্যাপটপের কি-বোর্ডে আটকে থাকলে সেখান থেকে ব্যাকটেরিয়ার সৃষ্টি হতে পারে। এগুলো কোনোভাবে মূল সার্কিটের সংস্পর্শে এসে শর্টসার্কিট হলে ল্যাপটপের বড় ধরনের ক্ষতি হতে পারে।




পরিষ্কার হাতে ল্যাপটপ:



ময়লা হাতে ল্যাপটপ ব্যবহার করলে অনেক সময় টাচপ্যাড ঠিকভাবে কাজ না-ও করতে পারে। পরিষ্কার হাতে ব্যবহার করলে ধুলো-ময়লা জমা হওয়ার আশংকা কম। দ্রুত ময়লা হয়ে গেলে কিছুদিন পর পরই রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বেশ সময় ব্যয় করতে হবে।




শুধু ডিসপ্লে ধরে সরাবেন না:



স্থানান্তরের সময় ল্যাপটপের মূল অংশ ধরে সরানো উচিত, কখনোই শুধু ডিসপ্লে ধরে সরানো উচিত নয়। সাধারণত ডিসপ্লের ওজনের থেকে মূল অংশ বেশি ভারী হয়ে থাকে। তাই পর্দা ধরে সরানোর চেষ্টা করা হলে এই দুই অংশের সংযোগস্থানটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বা ভেঙে যেতে পারে।




বছরে একবার সার্ভিসিং:



নির্ভরযোগ্য কম্পিউটার সার্ভিসিং সেন্টার থেকে বছরে অন্তত একবার ল্যাপটপ সার্ভিসিং করানো উচিত। দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ফলে জমে থাকা ধুলো-ময়লা পরিষ্কারের জন্যই প্রয়োজন এই সার্ভিসিংয়ের। তবে কখনোই নিজে নিজে এই কাজ করা উচিত হবে না।




সিডি-ডিভিডি:



সিডি বা ডিভিডি-রম ডিস্কগুলো ব্যবহারের পর নির্ধারিত স্থানে রেখে দিতে হবে। অসাবধানতাবশত কোথাও ঘষা লেগে বা পড়ে গিয়ে নষ্ট হয়ে যেতে পারে।




স্টিকারগুলো পরীক্ষা করা:



ল্যাপটপ ডিস্ক ড্রাইভার ব্যবহারের আগে ডিস্কে লাগানো স্টিকারগুলো পরীক্ষা করে নেওয়া প্রয়োজন।




ল্যাপটপের কভার:



ল্যাপটপ বহন করার জন্য সব সময় অতিরিক্ত একটি কভার ব্যবহার করা উচিত। এটি অনেক ক্ষেত্রেই সাধারণ স্ক্র্যাচ, ধুলো-ময়লা থেকে নিরাপদ রাখবে। আর এটির আকার অবশ্যই ল্যাপটপের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।




ব্রাশ দিয়ে পরিষ্কার:



ল্যাপটপের পর্দা, কি-বোর্ড এবং এক্সজস্ট ফ্যানের জায়গাগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করা প্রয়োজন। ধুলো-ময়লা পরিষ্কার করার জন্য ব্রাশ ব্যবহার করা যেতে পারে। এমনকি ব্যবহূত পুরোনো টুথব্রাশগুলো দিয়েও ল্যাপটপের বাইরের অংশগুলো পরিষ্কার করা যেতে পারে।




ল্যাপটপের ওপর ভারী কিছু না:



ভাঁজ করে রাখা ল্যাপটপের ওপর, কি-বোর্ডের ওপর ভারী কিছু রাখা উচিত নয়। ল্যাপটপ ভারী কিছু রাখার উপযোগী করে তৈরি করা হয় না। তাই ভারী বই বা অন্য কিছু রাখা হলে ডিসপ্লে, কি-বোর্ড বা অন্যান্য যন্ত্রাংশের ক্ষতি হতে পারে।




পর্দার প্রতি যত্নশীল:



কাজ শেষে ল্যাপটপ বন্ধ করার পর মনিটরটির বা ডিসপ্লে পর্দাটি ভাঁজ করে রাখা উচিত। আবার অনেক সময় সরাসরি পর্দা ভাঁজ করে স্ট্যান্ডবাই মোডে রাখা হয় ল্যাপটপ। এ সময় যেন কি-বোর্ডের ওপর কোনো পেন্সিল, হেডফোন বা অন্য কিছু না থাকে। এসব রেখে বন্ধ করে দেওয়া হলে ডিসপ্লের ক্ষতি হতে পারে।




দ্রুত তাপমাত্রা পরিবর্তন নয়:



হঠাৎ করে শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ঘর থেকে বাইরের উষ্ণ তাপমাত্রায় স্থানান্তর বা উষ্ণ স্থান থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত তাপমাত্রার স্থানে স্থানান্তর করা উচিত নয়। দ্রুত তাপমাত্রা পরিবর্তনের সঙ্গে চলমান ল্যাপটপের হার্ডডিস্ক ও প্রসেসর মানিয়ে নিতে পারে না। এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে ল্যাপটপ এবং এর অন্যান্য যন্ত্রাংশের।




বৈদ্যুতিক সংযোগ খুলে ফেলা:



ল্যাপটপ চালু রেখে বৈদ্যুতিক সংযোগ (পাওয়ার কানেকশন) খুলে ফেলা উচিত নয়। বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে তারপর সংযোগ খোলা উচিত। আর বৈদ্যুতিক সংযোগটি যদি আপনার পায়ের কাছাকাছি কোথাও থাকে, তাহলে কম্পিউটার ব্যবহার করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন।




ডিস্ক ড্রাইভার:



ডেস্কটপ ডিস্ক ড্রাইভারগুলো থেকে ল্যাপটপের ডিস্ক ড্রাইভারগুলো আলাদা ধরনের হয়ে থাকে। তাই সিডি/ডিভিডি ডিস্কগুলো ব্যবহার করার সময় বেশিসতর্ক থাকা প্রয়োজন। সঠিকভাবে ব্যবহার না করা বা উল্টোভাবে ব্যবহার করার চেষ্টা করলে ডিস্ক ড্রাইভারটি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।




তার যেন পেঁচিয়ে না যায়:



ল্যাপটপের বৈদ্যুতিক সংযোগ তারগুলো মেঝেতে ছড়িয়ে রাখা উচিত নয়। তারগুলো চেয়ারে চাপা লেগে ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তো রয়েছেই, এর পাশাপাশি ছড়িয়ে থাকা তারগুলোতে আটকে ব্যবহারকারী নিজে অথবা অপর কেউ দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন।




গাড়িতে ফেলে আসবেন না:



বদ্ধ গাড়ি একটি উচ্চ তাপমাত্রার জায়গা। স্বাভাবিকভাবেই দীর্ঘ সময় ধরে ল্যাপটপটি সেখানে ফেলে রাখা উচিত নয়। এ ছাড়া ল্যাপটপ বা ল্যাপটপের ব্যাগ ছিনতাইকারীদের আকৃষ্ট করতে পারে।







ল্যাপটপ ডেস্কটপের মতো একটানা ব্যবহার করা ঠিক নয়। বেশ কয়েক ঘণ্টা ব্যবহার করার পর ল্যাপটপ কিছু সময় বন্ধ রাখা উচিত। আপনার চোখের সুবিধার জন্য স্ক্রিনের লাইট আপনার চোখের সঙ্গে মানানসই করে রাখুন। মনে রাখবেন, এমন হাই কালার দিয়ে রাখবেন না যেটি আপনার চোখের সহ্যের বাইরে। প্রয়োজনে ঋষীঁ নামের একটি জনপ্রিয় সফটওয়্যার দিয়ে এ কাজটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে পারেন।



ল্যাপটপ বেশিক্ষণ কোলের ওপর রেখে ব্যবহার করা উচিত নয়। কিছুদিন আগে একদল গবেষক ল্যাপটপ ব্যবহারকারীর মাঝে এক জরিপ চালিয়ে দেখেছেন, যারা কোলের ওপর রেখে অনেকক্ষণ ল্যাপটপ ব্যবহার করেন তাদের প্রজনন ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। 







উপরের টিপসগুলো অনুসরন করলে আমি মনে করি আপনার ল্যাপটপটি ভালো মতই চলবে কোন সমস্যা ছাড়া। আপনাদের কাজে আসলে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু। ভালো থাকবেন সবাই আর আপনাদের ল্যাপটপের বেশি বেশি যত্ন নিবেন!! নইলে ওটা নিয়ে অল টাইম দৌড়ের উপর থাকতে হবে।



কিভাবে আপনার ল্যাপটপ এর যত্ন নেবেন


আসুন শুরুতে জানবো ল্যাপটপ এর ব্যাটারি নিয়ে :


ল্যাপটপ এর ব্যাটারি হল এর মহান চালিকা শক্তি তাই এর প্রতি বিশেষ বিশেষ খেয়াল রাখা জরুরী। ল্যাপটপ কে নিয়মিত ব্যাটারি পাওয়ার দিয়ে চালনা করা ঠিক নয়। সপ্তাহে অন্তত ১/২ দিন পূর্ণ ব্যাটারিকে ডিসচার্জ করে নেবেন। এবং পুনরায় চার্জ করে নেবেন। এতে ব্যাটারি তার সচল এবং কার্য ক্ষমতা ধরে রাখবে। ব্যাটারি যখন শতকরা ৪০% পারসেন্ট এর নিচে আসবে তখন অবশ্যই চার্জিং এ লাগিয়ে রাখবেন। এতে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ব্যাটারি ভাল থাকে।

মাসে অন্তত ১ বার হলেও ব্যাটারিকে খুলে ঝেড়ে মুছে আবার লাগাবেন। পুরনো দাঁত মাজার ব্রাশ দিয়ে ভিতরে ময়লা থাকলে সেটি পরিস্কার করে নেবেন । এ ক্ষেএে এয়ার ব্লোয়ার দিয়ে করলে ভাল হয় । এবং ব্যাটারিকে সবসময়য়ে ব্যালেন্স মোডে রাখবেন। এতে আপনার ল্যাপটপ তার চাহিদা অনুযায়ী পাওয়ার নিতে সক্ষম হয়। যখন পিসিতে গেমস বা মুভি দেখবেন তখন পাওয়ার সেভ মোডে নিয়ে আসবেন এতে ভাল পারফরমেন্স পাবেন গেমস এবং মুভির ক্ষেএে।

কিবোর্ডঃ কিবোর্ড কে যত টুকু সম্ভব হয় খুব যত্নের সাথে ব্যবহার করতে চাইবেন। যেমন ডেস্কটপ এর মত হাতুড়ি পেটা করলে অতি সহসায় এর যে কোন অঙ্গ হারাবেন। এটা যে পুনরায় রিপেয়ার করবেন এটা একশতে মাত্র ২০% সফলতা আসে, বাকিটা আনসিউর। কারন ল্যাপটপ এর কিবোর্ড টি ডালাই করা থাকে বেশির ভাগ ল্যাপটপে এবং সবকিছুর নিচে এবং খুব সুক্ষ ভাবে । তাই এর প্রতি ভাল কোন টেকনিশায়ান ও নজর দিতে ভয় করেন । আর নতুন একটি কিবোর্ড এর দাম ও কম নয় ৫,হাজার থেকে শুরু করে ১০,হাজার পর্যন্ত ছুয়ে যায়। তাই আপনার প্রিয় ল্যাপটপ কে অন্য একটি ইউএসবি কিবোর্ড ব্যবহার করবেন এবং এবার হাতুড়ি পেটা করেন কোন সমস্যা নেই। আর দাম ও একদম হাতের মুঠোয় মাত্র ২৮০ টাকার মধ্যে পাবেন। সম্ভব হলে ল্যাপটপ এর কিবোর্ড এর জন্য একটা পেড নিয়ে নেবেন এবং পুরো কিবোর্ড কে প্যাড দিয়ে আবরন করে রাখবেন এতে আপনার সার্কিট এবং কিবোর্ড এর ভিতরের অংশে ধুলোবালি প্রবেশ রোধ করবে। সাধারন যে কোন মার্কেটে পাবেন দাম মাত্র ৭০/৮০ টাকার মধ্যে।


ব্লুটুথ কে বিনা প্রয়োজনে অন করে রাখবেন না । যদি ভুলে আপনার ব্লুটুথ প্রোগ্রাম টি সচল থাকে এবং এর সেটিংস এ যে কোন ফাইল রিসিভ এবং সেন্ড অপশন টি যদি অটো এলাউ থাকে এ ক্ষেএে সিস্টেমে অটোম্যাটিক ভাইরাস এসে বাসা বাধবে। এবং এইসব ভাইরাস ল্যাপটপ এর জন্য এক মহামারী হয়ে দাঁড়ায়। এর জন্য মাঝে মাঝে হার্ডডিস্ক বা অন্য কোন একটি সাইট একদম সফল ভাবে চিরতরে ড্যামেজ করে দিতে পারে। ব্লুটুথ যদি ও অন করে রাখতে চান তাহলে আপনি নিজ থেকে এলাউ দিয়ে ফাইল শেয়ার এবং রিসিভ অপশন টি মার্ক রাখবেন।

ডিভিডি প্লেয়ার কে যত্নের সাথে ব্যাবহার করা উত্তম । পিসিতে কোন গেমস বা মুভি দেখতে চাইলে কপি করে তারপর প্লে করবেন।এবং এর ল্যান্সে কক্ষনো হাত লাগাবেন না । যদি ভুলে লেগে যায় তাড়াহুড়ো না করে ল্যান্স ক্লিনিং সিডি বা ডিভিডি দ্বারা সেটা পরিস্কার করা যায় । এই সিডি ডিভিডি টি মার্কেটে কিনতে পাওয়া যায়।

অপ্রয়োজনীয় কোন ফাইল বা প্রোগ্রাম থাকলে সেটি অবশ্যই আনইন্সটল করে নেবেন। এতে ভাল গতি পাবেন । প্রয়োজনের বাইরে কোন সফটওয়্যার ইনস্টল না করাই ভাল। এবং নিয়মিত ভাল এন্টিভাইরাস দিয়ে স্কিন করে ফ্রেশ রাখবেন।

মূলকথা হল কি ভাবে ল্যাপটপ কে চালালে তার কোন অসুবিধা হয়না । তার জন্য কুলিং প্যাড ব্যাবহার করতে পারেন,তবে আমি কুলিং প্যাড ব্যবহার করিনা এবং এতে পয়সা খরচও করতে আমি রাজি নই। তাই আমি সিলিং ফ্যান এর সাহায্য নেই। যেমন যেখানে আপনি ল্যাপটপ কে রাখবেন হতে পারে সেটা আপনার টিটেবিল বা প্লাস্টিক টাইপ কোন টেবিল। তার উপর ল্যাপটপ কে রেখে তার সামনের অংশের নিচে ২/৩ ইঞ্চি পরিমাণে উপুড় করে দেবেন তার নিচে কিছু দিয়ে। কাঠের সামান্য কোন টুকরো বা এই জাতীয় কিছু এবং এবার ফ্যান চালিয়ে দিন সামান্য গতিতে। এবার ২৪ঘন্টা চালিয়ে রাখুন আপনার ল্যাপটপ কোন সমস্যা নেই, ল্যাপটপ এর নিচের অংশে ২টি ফ্যান আছে বা থাকে, একটি ফ্যান এর কাজ হল বাহির থেকে ঠাণ্ডা হাওয়া শোষণ করে নিয়ে পুরো সার্কিট কে ঠাণ্ডা করে রাখা। এবং অন্য আরেকটি ফ্যান সেই গরম হাওয়া কে টেনে বাহির করে দেওয়া । আর ল্যাপটপ যখন এই সুযোগটি পায়না তখন তার অবস্থা বাচা মরার মত হয়ে দাঁড়ায়। এই জন্য অনেকে বলে থাকেন যে তার ল্যাপটপ টি হাত দেওয়ার মত অবস্থায় নেই এমন গরম হয়ে গেছে। আমার দেখানো সিস্টেম টি আপনি প্রয়োগ করে দেখুন কেমন ঠাণ্ডা অবস্থায় আছে আপনার ল্যাপটপ।

ল্যাপটপ এর ইউএসবি পোর্ট গুলো চেক করে দেখবেন।


আজকাল অধিকাংশ ল্যাপটপ এর সাথে মাদারবোড এর সিডি বা অন্যান্য ড্রাইভার গুলোর সিডি দেওয়া হয়না তার পরিবর্তে আপনার ল্যাপটপ এর হার্ড ড্রাইভে কপি করে দেওয়া হয়। আর আপনি যদি নতুন ব্যাবহারকারী হয়ে থাকেন সে ক্ষেএে একটু ভুলের বশে সব শেষ হয়ে যাবে ভাইরাস দ্বারা। তাই দোকান থেকে ড্রাইভ, সফট, গুলোকে একটা সিডি বা ডিভিডি তে রাইট করে দিতে বলবেন। যাহা পরবর্তীতে আপনার কাজে আসবে। কিছুদিন পরে আপনাকে আর কোথায় ও দৌড় ঝাপ দিতে হবেনা।



ল্যাপটপ বিষয়ক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান


সমস্যা ১- ল্যাপটপ ব্যাকআপ কম দিচ্ছে

সমাধান: আপনার ল্যাপটপটি যদি ভালো ব্রান্ডের না হয়ে থাকে তাহলে এটি কেনার কিছুদিন পর থেকেই এই ব্যাকআপ টাইম কমতে পারে। এখানে আসলে করার কিছু নেই। এজন্য কেনার সময়ই ভালো ব্রান্ডের জিনিস বেছে নিন। আর ল্যাপটপ যখন চার্জ দিবেন তখন টানা চার্জ দিবেন। বারবার চার্জ থেকে এটিকে খুলবেন না। এতে ব্যাটারির আয়ু কমে যায়। ব্যাটারি দিয়ে ব্যবহার করলে চার্জ যখন একেবারে শেষের দিকে চলে আসবে তখন আবার নতুন করে চার্জ দিবেন। তার আগে নয়।

সমস্যা ২- ল্যাপটপের বাটারি ব্যাকআপ বাড়ানোর উপায় কি?
সমাধান: বর্তমান সময়ের সব মডেলের ল্যাপটপই ২ থেকে শুরু করে ১০ ঘন্টা পর্যন্ত ব্যাকআপ দিতে সক্ষম। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় যে কোম্পানী যা বলে তা পাওয়া যায় না, মানে ব্যাকআপ টাইম যতটা বলা হয়েছিল ততোটা পাওয়া যাচ্ছে না। কিভাবে আপনি আপনার ল্যাপটপের ব্যাটারিটিকে আরেকটু বেশিক্ষণ বাঁচিয়ে রাখতে পারেন তার কয়েকটি উপায় হচ্ছে-
1.
আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন তার উপরও ব্যাকআপ টাইম নির্ভর করবে। আপনার ল্যাপটপ যদি বেশি পুরানো না হয়ে থাকে তাহলে উইন্ডোজ এক্সপি বা ভিসতার চেয়ে আপনি সেভেন ব্যবহার করলে বেশিক্ষণ ব্যাকআপ পাবেন।
2.
কন্ট্রোল প্যানেলের পাওয়ার সেটিং এর ভেতর আপনি এ সংক্রান্ত সবকিছুই পাবেন। ব্যাটারি দিয়ে চালাতে এটিকে সবসময় পাওয়ার সেভার অপশন সিলেক্ট করে রাখুন।
3.
ব্যাটারিতে ডিসপ্লের ব্রাইটনেস কখনোই ৫০% এর বেশি ব্যবহার করবেন না।
4.
নেটওয়ার্কিং এন্ড শেয়ারিং সেন্টারে গিয়ে ওয়ারলেস নেটওয়ার্ক কানেকশন বা ওয়াই-ফাই ডিজাবেল করে দিন। ল্যাপটপে ব্লুটুথ ফাংশন প্রয়োজন ছাড়া অন করবেন না।
5.
ব্যাটারিতে কাজ করার সময় ভিডিও দেখা বা গান শোনা থেকে বিরত থাকুন যদি না বেশি প্রয়োজন পরে

সমস্যা ৩- ল্যাপটপ অতিরিক্ত গরম হলে কি করবো?
সমাধান- ল্যাপটপ কম্পিউটারের নিচের অংশ যেখানে বেশি গরম হয় সাধারণত সেই স্থানের সাথে অন্য কিছু সরাসরি স্পর্শে সাথে এমনভাবে ল্যাপটপ রাখবেন না। তাহলে গরম বের হয়ে সরে যাবার সুযোগ পাবে। আর ল্যাপটপের কুলিং ফ্যানের একদম সামনে কিছু রাখবেন না যাতে বাতাস বাধাগ্রস্থ হয়। ল্যাপটের আশে পাশে অন্য কোনো বৈদ্যুতিক যন্ত্রাদি না রাখাই ভালো। আর সবচেয়ে ভালো হয় যদি ল্যাপটপ কুলার ব্যবহার করতে পারেন।

সমস্যা ৪- ল্যাপটপে অপারেটিং সিস্টেম লোড না হলে কি করবো?
সমাধান: ল্যাপটপ ডেস্কটপে অপারেটিং সিস্টেম লোড না হলে সিস্টেম রিপেয়ারের চেষ্টা করুন। এজন্য সেটাপের সিডি ঢুকিয়ে রিপেয়ার সিলেক্ট করুন। অথবা উইন্ডোজ সেফ মোডে চালিয়েই দেখতে পারেন। আর তাতেই কাজ না হলে উইন্ডোজ নতুন করে সেট আপ না করে কোনো উপায় থাকবে না।

সমস্যা ৫- ল্যাপটপ পাওয়ার পাচ্ছে না
সমাধান: ল্যাপটপ কম্পিউটার যদি পাওয়ার না পায় তাহলে বুঝতে হবে সেটা এডাপ্টারের সমস্যা। আপনার কারেন্টের সকেট এবং এডাপ্টার ঠিক আছে কিনা পরীক্ষা করুন। সব ঠিক থাকার পরও যদি ল্যাপটপ চার্জ না নেয় তাহলে সেটা ল্যাপটপের সমস্যা। অভিজ্ঞ কোনো টেকনিশিয়ানের সহায়তা নিন।

সমস্যা ৬- ল্যাপটপের ডিসপ্লে আসছে না
সমাধান: ল্যাপটপ ছাড়ার পর যদি ডিসপ্লে না আসে তাহলে সেটা বেশ চিন্তার বিষয়। বায়োসের স্ক্রীণ আসলে বুঝতে হবে স্ক্রীণ এবং কানেকশন ঠিক আছে। অপারেটিং সিস্টেমের সমস্যার কারণে এমনটা হচ্ছে।
আর একদমই মনিটর কালো হয়ে থাকলে সেটা অভিজ্ঞ কাউকে দেখান। ল্যাপটপের ব্যাটারী খুলে আবার লাগিয়ে দেখতে পারেন।



ল্যাপটপে চার্জ ধরে রাখা

হঠাৎ করে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাঙ্খিত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।

ডিসপ্লেঃ মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

এক্সটার্নাল ডিভাইসঃ ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।

ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়াঃ ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

 হাইবারনেশনে রাখুনঃ ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যানঃ ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

ব্যাটারি কেসঃ এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।